শিরোনাম
ইসলামে কাব্য, কবিতা, কাব্য চর্চা : না'তে রাসূল "মীলাদ শরিফ" কবিতার নাম       আল্লাহর যেকোন অনুগ্রহ ও নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা স্বরুপ ভোজ অনুষ্ঠান ও ইসলাম       কুরআন-সুন্নাহের আলোকে ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ এঁর স্মরনে স্মরনানুষ্ঠান/উদযাপন/পালন       ১২ই রবিউল আউয়াল, নাকি ৯ই রবিউল আউয়াল অথবা ২রা রবিউল আউয়াল       না'ত কবিতা মীলাদ শরীফ দাঁড়িয়ে পাঠ করা বা মীলাদে ক্বিয়াম করা আদাব        পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ﷺ উদযাপন       ঈদে মীলাদুন্নবী ﷺনিয়ে ইমাম মুজতাহিদগনের অভিমত      
আজ রবিবার, ৩ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
আল্লাহর যেকোন অনুগ্রহ ও নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা স্বরুপ ভোজ অনুষ্ঠান ও ইসলাম
মাহমুদ হাছান
প্রকাশ : ২০১৭-১২-০২ সময় : ১২:১৩,
আল্লাহর যেকোন অনুগ্রহ ও নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা স্বরুপ ভোজ অনুষ্ঠান ও ইসলাম
আল্লাহর যেকোন অনুগ্রহ ও নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা স্বরুপ ভোজ অনুষ্ঠান ও ইসলাম
আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ ও আল্লাহর নেয়ামত ও অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ যেমন- নবজাতকের খতনা প্রভৃতি উপলক্ষে ওলিমা বা ভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে দোষের কিছু নেই।

ইবনে কুদামা (রহমাতুল্লাহি 'আলাইহি) মুগনি গ্রন্থে (৭/২৮৬) বলেনঃ
খতনা উপলক্ষে দাওয়াত করা এবং বিয়ে ছাড়াও যে কোন উপলক্ষে খাওয়ার দাওয়াত করা মুস্তাহাব। 
যেহেতু এর মাধ্যমে খাদ্য খাওয়ানোর নেক আমল অর্জিত হয়। 
এ ধরনের দাওয়াত গ্রহণ করাও মুস্তাহাব; তবে ওয়াজিব নয়। এটি ইমাম মালেক, শাফেয়ি, আবু হানিফা ও তাঁর ছাত্রদের অভিমত।

যে কোন দাওয়াতকারীর দাওয়াত গ্রহণ করা মুস্তাহাব।
যেহেতু দাওয়াত গ্রহণ করলে দাওয়াতকারীর কাছে ভাল লাগে, তার মন প্রশান্ত হয় তাই সম্ভব হলে দাওয়াত গ্রহণ করা কাম্য।
ইমাম আহমাদ (রহমাতুল্লহি 'আলাইহি)'কে একবার খতনার অনুষ্ঠানে দাওয়াত করা হলে তিনি দাওয়াত গ্রহণ করেন এবং খাবার খান।

কোন কারণ ছাড়া দাওয়াত খাওয়ানোর সাধারণ যে মর্যাদা এ আয়োজনেরও সে মর্যাদা। যদি দাওয়াতকারী এর মাধ্যমে আল্লাহর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও মুসলমান ভাইদের খাবার খাওয়ানোর আমল পালনের উদ্দেশ্য করে, স্বীয় খাদ্যসামগ্রী ব্যয় করার নিয়ত করে তাহলে ইনশাআল্লাহ্‌ তিনি সে সওয়াব পাবেন। 

ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির আলেমগণ বলেনঃ
খতনা উপলক্ষে আনন্দ ও খুশি প্রকাশ করা ইসলামি শরিয়তের দাবী। যেহেতু খতনা ইসলামপ্রিয় বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। 
আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ
“(হে মাহবুব!) বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতে। সুতরাং এ নিয়েই যেন তারা খুশি হয়। এটি যা তারা সঞ্চয় করে রাখে তা থেকে উত্তম।” 
[সূরা ইউনুছ, আয়াত: ৫৮।]। 
নিঃসন্দেহে খতনা আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত। 
অতএব, আল্লাহর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এ উপলক্ষে ভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে কোন আপত্তি নেই। সমাপ্ত 
[সূত্রঃ ফাতাওয়াল্‌ লাজনাহ আদ্‌দায়িমা (ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির ফতোয়াসমগ্র), খণ্ড- ৫; পৃষ্ঠা-১৪২।]

কাজেই কৃতজ্ঞতা স্বরুপ আল্লাহর যেকোন রহমত ও অনুগ্রহ প্রাপ্তিতে ফজিলতপূর্ণ কাজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান করা পূণ্যময়।




ইসলাম ও জীবন - পাতার আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
অ্যাপস ও ফিড
সামাজিক নেটওয়ার্ক
প্রকাশক ও সম্পাদক :---
"মা নীড়" ১৩২/৩ আহমদবাগ, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪
ফোন : +৮৮-০২-৭২৭৫১০৭, মোবাইল : ০১৭৩৯-৩৬০৮৬৩, ই-মেইল : sunnibarta@gmail.com